অভিবাসন ভিসায় কড়াকড়ি

ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১ বি ভিসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে

ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১ বি ভিসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে
ফাইল ছবি: এএফপি

অভিবাসন ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সাধারণত প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি কর্মী সংগ্রহে এই ভিসা ব্যবহার করে থাকে। নতুন পদ্ধতি আমেরিকান কর্মীদের সহায়ক হবে বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের।

‘এইচ-১ বি’ নামে পরিচিত ভিসার ক্ষেত্রে নতুন এই বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে। অত্যন্ত দক্ষ কর্মীদের জন্য এই ভিসা। এর মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার অভিবাসী কর্মী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পান। ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১ বি ভিসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে। তারা অভিবাসীদের জন্য এই পথ বন্ধ করে দিয়েছিলও। কিন্তু দেশটির ফেডারেল আদালতের একজন বিচারক গত সপ্তাহে ওই সিদ্ধান্ত আটকে দেন। এরপরই ভিসায় কড়াকড়ি আরোপের নতুন পথে হাঁটল ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর মঙ্গলবার নতুন এই বিধিবিধান প্রকাশ করলেও বিস্তারিত তথ্য দেয়নি। তবে তারা বলেছে, নতুন পদ্ধতি ‘বিশেষ পেশা’র বিদ্যমান সংজ্ঞাকে সংকুচিত করবে। তাদের ভাষায়, এই ‘বিশেষ পেশা’র বিষয়টিকে অপব্যবহার করে আসছে কোম্পানিগুলো। তা ঠেকাতেই নতুন বিধিবিধান।

এইচ-১ বি ভিসার মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার অভিবাসী কর্মী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পান। ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১ বি ভিসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে

নতুন নিয়মটি চালুর আগে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময় রাখা হয়েছে। এরপরই এটি কার্যকর হবে। একই সঙ্গে আরেক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে কোম্পানিগুলোকে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ‘প্রকৃত’ প্রস্তাব দিতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মী পেতে ব্যর্থ হলেই কেবল তারা বিদেশি কর্মী আনার প্রক্রিয়ায় যেতে পারে। সে ক্ষেত্রেও নতুন কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।এইচ-১ বি ভিসার মাধ্যমে কর্মী সংগ্রহ করে থাকে সাধারণত সিলিকন ভ্যালির প্রতিষ্ঠানগুলো। মূলত এভাবে তারা প্রকৌশলী ও অন্যান্য দক্ষ কর্মী আনে। বেশির ভাগই যান ভারত থেকে। এই কার্যক্রমের ফলে কিছু পেশায় বেতন–ভাতা কমে গেছে বলে সমালোচকদের ভাষ্য।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি–বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শাদ উল্ফ বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এমন যুগে প্রবেশ করেছি, যেখানে স্বদেশের নিরাপত্তার একটা অপরিহার্য অংশ হচ্ছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা।’