Tuesday, February 27, 2024
Homeদেশ-জুড়েরাণীশংকৈলে রাতের আঁধারে প্রতিমা ও কালি মন্দির ভাংচুরের অভিযোগ 

রাণীশংকৈলে রাতের আঁধারে প্রতিমা ও কালি মন্দির ভাংচুরের অভিযোগ 

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার
বাচোর ইউনিয়নে গত মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি)  ঝাপড়টলা কাটাবাড়ি শ্মশান ঘাটে রাতে কালি মন্দিরের প্রতিমা ও প্রায় বিভিন্ন জাতের ১০০ গাছ, ত্রিশাল কোটি দেবতার ৬ টি ধাম ও শ্মশানের ৭ টি কবর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা।
ঘটনার প্রতক্ষ্যদর্শী সুবল রায় ও পলাশ চন্দ্র জানান,আমরা সেদিন রাতে পুকুর থেকে মাছে ধরে আসার সময় দেখি শামসুলসহ ৫ জন মিলে দা দিয়ে শ্মশানের গাছ কাটতেছিল এবং কোদাল দিয়ে প্রতিমা ভাংচুর, ধাম ও শ্মশানের কবর খুঁড়ছিলো। এ সময় বাধা দিতে গেলে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখালে সেখান থেকে আমরা পালিয়ে আসি।
ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও কাটাবাড়ি শ্মশান কালি মন্দিরের সভাপতি খগেন্দ্রনাথ বলেন,এটি ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত জমি প্রায় দীর্ঘদিন যাবত শামসুলের সঙ্গে মামলা মোকদ্দমা চলছে। তাঁরা গতকাল সন্ধ্যায় কয়েকজন মিলে কালি প্রতিমা ও গাছ, ৬ টি ধাম ও ৭ টি কবর ভেঙে ফেলেছে। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
এ ব্যাপারে ভাংবাড়ী গ্রামের শামসুল হক বলেন,আমি আমার ভগ্নিপতিসহ ৪ ভাই মিলে ২০০৫ সালে জমিটি দলিল মূলে মায়েদা এবং মহিদুলের কাছ থেকে ক্রয় করেছি। তখন থেকে চাষাবাদ করে আসছি। জমির মাট পরচা খারিজ সহ সবকিছু কাগপত্র রয়েছে। তাঁরা ২০২৩ সালে খারিজ বাতিলের উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেছিল। কিন্তু কোন রকমের কাগজ পত্র দেখাতে না পেরে। সেখান থেকে আমার পক্ষে রায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরপর সর্বশেষ ২০২৩ সালে হঠাৎ করে বাচোর ঝাপরটলি এলাকার খগেন চন্দ্র, সুরেশ ও সতেন চন্দ্রসহ কয়েকজন মিলে ওই জমিটি জবর দখল করে নেয়। এবং রাতের আঁধারে একটি মন্দির তৈরি করেন। এবং আমিসহ আমার ভাইদের উপর মন্দির ভাঙ্গার অভিযোগ তুলেন।
এ ব্যপারে বাচোর ইউপি চেয়ারম্যান জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখ জনক আমি এই ঘটনার জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা মুঠো ফোনে জানান,খবর পেয়ে আমার ঊর্ধ্বতন  কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি ও এসপি সার্কেলসহ পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মন্দিরে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
RELATED ARTICLES
Continue to the category

Most Popular