Wednesday, February 28, 2024
Homeদেশ-জুড়েকুড়িগ্রামের সুবলপাড়ে একটি ব্রিজের অভাবে ৭টি চরের মানুষের দুর্ভোগ

কুড়িগ্রামের সুবলপাড়ে একটি ব্রিজের অভাবে ৭টি চরের মানুষের দুর্ভোগ

এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের সুবলপাড় নদীর উপর একটি ব্রিজ না থাকায় শামছুলেরচর, বিষ্ণুপুরসহ ৭টি চরের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশ বেধে দিয়ে পারাপার করতে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী বলছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তালিকা পাঠানো হয়েছে। নাগেশ^রী উপজেলা প্রশাসন বলছেন চলতি বছরের বিশেষ বরাদ্দ থেকে সেতুটি নির্মান করা হবে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের সুবলপাড় নদীর উপর একটি ব্রিজ না থাকায় শামছুলেরচর, বিষ্ণুপুর, সতিপুরী, বলদিয়া, একতাবাজার, হ্যালোডাঙ্গা সহ ৭টি চরের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ। শুকনো অথবা বন্যা মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশ বেধে দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার পথচারী পারাপারে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। শামছুলেরচর, বিষ্ণুপুর, সতিপুরীসহ ৭টি চরের প্রায় ৩লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন এই বাঁশ বাধা সেতু দিয়ে পারাপার হয়ে কচাকাটা থানা হয়ে নাগেশ্বরী শহরে আসেন। ব্রিজটি না থাকায় আর্থিক দৈন্যতা ও গ্রাম্য হাতুড়ে ডাক্তারের চিকিৎসা সেবাকে অবলম্বন করে বেঁচে থাকেন চরাঞ্চলের মানুষ। ব্রিজটি নির্মাণ না হওয়ায় কৃষকদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য শহরে বাজারজাত করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় চরাঞ্চলের মেয়েরা শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ে বাল্য বিবাহের শিকার।
স্থানীয় মজনু মিয়া, হারেজ আলী, শহিদুল ইসলাম, রনজু ব্যাপারী বলেন, দীর্ঘ ১০০বছরেও ব্রিজটি নির্মাণ না হওয়ায় তিন লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশ বেধে দিয়ে পারাপারে ঘটছে দুর্ঘটনা। ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
নাগেশ্বরী এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল রাজিব জানান, ব্রিজটির তালিকা এলজিইডি অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাউসার আহাম্মেদ জানান, চলতি বছরের বিশেষ বরাদ্দ থেকে সেতুটি নির্মান করা হবে।
RELATED ARTICLES
Continue to the category

Most Popular